ব্রেকিং নিউজ

বিএনপি অর্থ-সম্পদ অর্জনে বেশি ব্যস্ত ছিলঃ প্রধানমন্ত্রী

  |  ০৯:৪৫, সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯

ডেইলি সিলেট মিডিয়াঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০০১ সালে সরকারে আসতে না পারলেও অনেকগুলো বিদ্যুৎকেন্দ্র রেখে যাই। বিএনপি অর্থ-সম্পদ অর্জনে বেশি ব্যস্ত ছিল। আমরা যেগুলো শুরু করেছিলাম সেগুলো শেষ করলেও জনগণ স্বস্তি পেতো। শুধু যেগুলো শেষের দিকে ছিল সেগুলো সম্পন্ন করেই তারা তৃপ্তি পেয়েছে।

বুধবার ভিডিও কনফারেন্সে নতুন সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের ৯৩ শতাংশ বাড়িতে আওয়ামী লীগ সরকার বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২২ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০১ সালে যে চার হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ রেখে গিয়েছিল সেটা বিএনপি তিন হাজার দুইশ মেগাওয়াটে নামিয়ে এনেছিল। আমরা স্বাক্ষরতার হার বাড়িয়ে গিয়েছিলাম। পরে ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেখি কমে গেছে।

কাপ্তাইয়ে সৌর শক্তির সাহায্যে সরকারিভাবে দেশের প্রথম সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের মোট উৎপাদনের ১০ ভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্যে, ২০১৭ সালের ৯ জুলাই প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। এ প্রকল্পের প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ধরা হয়েছে পাঁচ টাকা ৪৮ পয়সা।

জেটটি করপোরেশনের প্রজেক্ট ম্যানেজার আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, পাওয়ার প্ল্যান্টটি নির্মাণ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটটি করপোরেশন। ২৪ হাজার ১২টি প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে সোলার প্যানেলটি স্থাপন করা হয়েছে। এই ইউনিট থেকে ৭.৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার কথা থাকলেও, এখন পর্যন্ত ৬.৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে, যা সোলারচালিত কেন্দ্রের জন্য সন্তোষজনক। এ প্রকল্প থেকে আগামী ২৫ বছর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন সেবা পাওয়া যাবে।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকল্প ইঞ্জিনিয়ার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী দুই বছর চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জেটটি কর্পোরেশন এর দেখভালের দায়িত্বে থাকবে। এটি কাপ্তাই কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের হাতে ন্যস্ত থাকবে দুই বছর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাঙামাটি, কাপ্তাই ও লিচু বাগান পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের পর আরও দুই-তিন মেগাওয়াট বিদ্যুৎ থাকে, যা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হবে।

কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ম্যানেজার এটিএম আব্দুরজ্জাহের বলেন, নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের ওপর ভাসমান আরও ৫০ মেগাওয়াটের একটি সোলার প্যানেল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর কাজ খুব শিগগিরই শুরু হবে। ১১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭.৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্পে অর্থ সহায়তা দিচ্ছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)। ৫০ মেগাওয়াটের নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নেও সহায়তা দেবে এডিবি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ