ব্রেকিং নিউজ

প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে আন্তজার্তিক টেনিস ক্লাবের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন সাইফুল আলম

  |  ০৯:১৭, জুন ১৪, ২০১৯

নাঈম তালুকদারঃ মাদারীপুরের ১৮ বছর বয়সী সাইফুল আলম, পিতা: রাশেদুল আলম এবং মা সিমা আক্তার ছোট সময় থেকে বসবাস মাদারীপুর জেলা সদরের স্টেডিয়াম এলাকায়। সাইফুলের হাস্যজ্জল চেহারা প্রায়ই খেলে যায় ভবিষ্যৎ স্বপ্ন টেনিসে।

বাংলাদেশের হয়ে বিশ্ব টেনিস রাউন্ডে খেলার স্বাপ্ন দেখেন প্রতিনিয়ত। কাজ করে যাচ্ছেন নিজের দক্ষতা এবং নিজের ফিটনেসের নানা দিক নিয়ে। বর্তমানে অবস্থাক করছেন অষ্ট্রলিয়ার মোলবোর্ন শহরের ন্যাশনাল একাডেমী “কাইয়োৎ ইন্টারনেশ্যনাল টেনিস একাডেমী’তে” সাইফুলের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন একজন নিয়মিক কোচ রিকি রোর্বাটসন এবং সাথে আছেন আর্থিক প্রদানকারী ঝঢ়ড়হংড়ৎ পিটার জন বার্গিন পড়াশুনা করছেন অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল কলেজ ব্যবসায় শিক্ষার উপরে।

টেনিস খেলায় আসার গল্পটা তার একটু ভিন্ন ধরনের ছিল বয়স যখন ১৪ বছর তখন থেকেই টেনিসের সাথে যুক্তহয় কিন্তু তার জন্যে কখনোই এটা সহজ ছিল না বরং কঠিন একাটা পরিক্ষা ছিল। মাদারীপুর জেলার অফিসার্র্স ক্লাবের থেকে সাইফুলের পথ চলা। সেখানে তাকে খেলা শেখানোর জন্যে ছিল না প্রশিক্ষক, না ছিল কোন সুযোগ সুবিধা। তার পরেও হাল ছাড়তে বাধ্য হননি। বাবার সাহায্যে এবং পরিশ্রমকে কাজে লাগিয়ে নিয়মিত টেনিসে যাওয়া আসার করত। বিকাল তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত একা একা দেয়ালের সাথে টেনিস খেলত যদি বলেন অনুপ্রেরণা এবং আদর্শ ছিল বাবা রাশেদুল আলম। তার বাবা তাকে সময় মতো সবকিছুর জন্যে সাহায্য করেছেন। খেলার শেখার জন্যে যখন কেউ ছিল না তখন টিভিতে নোভাক জোকোভিচ আর কেই নিশিকরি ছিল সোস্যাল টেনিস শিক্ষক। এভাবে দশ মাস অনুশীলন এবং দেয়ালের সাথে করা প্ররিশ্রম সাহস যোগায় ২০১৫ সালে অনুর্ধ্ব ১৪ আন্তজার্তিক টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করার জন্য পরিবারের বাহিরে পাননি জেলা ক্রিয়া সংস্থা এবং বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সাহায্যে ও সহযোগিতা যাই হোক খেলেছেন দেশের হয়ে প্রথম কোন আর্ন্তজার্তিক প্রতিযোগিতা তাই অনেক। সেখান থেকে শুরু সাইফুলের টেনিসের যাত্রা।

বাবার মায়ের মনোবলের জন্যে কখনো থেকে যেকে হয়নি তার টেনিসের পথ যাত্রার মাঝে কখন ও বাবার সাথে গিয়েছেন ইন্ডিয়ার জয়পুর টেনিস একাডেমীতে কিংবা চন্ডিগড় টেনিস একাডেমিতে টেনিসের অনুশীলনের জন্যে আর এভাবেই যখন ছুটে চলঠে সাইফুলের কখন ও থাইলেন্ড, আমেরিকা, ইউকে, নিউজেল্যান্ড আর তো অস্ট্রোলিয়ার বিভিন্ন শহরের টেনিসের প্রতিযোগিতার এখর দেখের বাংলাদেশে হয়ে ডেভিস কাপ খেলার এবং ওয়ার্ল্ড টেনিসে নিজেকে নিয়ে যাবার ভবিষ্যত লক্ষ্য? ধাপে ধাপে এগুতে চায় এখন অস্ট্রেয়িার সেরা পাঁচ একাডেমিতে খেলোয়াড় হিসাবে অন্তভূক্ত হয়েছেন এবং সেখানেই সম্পূর্ণ রুপে ফ্রি টেনিসের প্রশিক্ষন পাচ্ছেন। নতুনভাবে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ক্লব সাইফুলের সাথে দীর্ঘ মেয়াদী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে যাচ্ছে আগামি জুলাই থেকে। সাইফুল মনে করেন ভালো প্রশিক্ষণ আর ফিটনেসের অনুসরনকে কাজে লাগিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যাব। সম্পূর্ন আল্লাহর রহমতে খুব তারাতারি পেশাদার টেনিসে অংশগহন করব ইতিমধ্যে সাইফুল অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় প্রতিযোগিতার বাংলাদেশের হয়ে “কুইসল্যান্ড ক্যালে কোর্ট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ